মেসি ঝলকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জিতেই চলেছে

মেসি ঝলকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জিতেই চলেছে

কাতারের ফুটবল মহাযজ্ঞের পর আর্জেন্টিনা ঘরের মাঠে দুটো প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল। দুটোতেই ছিল জয়, কিন্তু দেশের বাইরে গিয়ে বড় কোনও প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তো আর দেওয়া হয়নি পরীক্ষা। লিওনেল মেসিরা এবার সেই পরীক্ষাতেই বসেছিল। চীনের মাটিতে সেই পরীক্ষায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বুঝিয়ে দিলো- এই আর্জেন্টিনা কেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।

আজ (বৃহস্পতিবার) বেইজিংয়ের ওয়ার্কাস স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সেখানে মেসির ঝলকে ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা।

৩৬ বছর পর কাতারে বিশ্বকাপ উদযাপন করেছে আর্জেন্টিনা। লাতিন দেশটির অপেক্ষা যেমন শেষ হয়েছে, তেমনি পূর্ণ হয়েছে মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার। এই একটি শিরোপাই যে অধরা ছিল তার। এরপর দেশে ফিরেছে হয়েছে বিশাল উদযাপন। তারই অংশ হিসেবে গত মার্চে দেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচে নেমেছিল তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। পানামা ও কুরাকাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি যতটা ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতার, তার চেয়ে বেশি ছিল দেশের মানুষের সঙ্গে আরেকবার বিশ্বকাপ উদযাপনে একত্র হওয়া।

মেসিরা ওই উদযাপনের উপলক্ষ দুটিও রাঙিয়ে নেয় জয় দিয়ে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জয়ের ধারা এবারের আন্তর্জাতিক ফুটবল বিরতিতেও সচল থাকলো। কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে যে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল, তাদের বিপক্ষেই প্রীতি ম্যাচে নেমেছিল আলবিসেলেস্তেরা।

মাঠে নেমেই আর্জেন্টিনার গোল উদযাপন। শুরুতেই তাদের আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন মেসি। ম্যাচের শুরুতেই এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে বল পেয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান মেসি। লিড নিয়ে আরও আক্রমনাত্নক খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে গোল শোধের লক্ষ্যে বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোল করতে ব্যর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণাত্নক খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে ফের গোলের দেখা পায় আলবিসেলস্তারা। বাম দিক থেকে ডি পলের ক্রস থেকে হেড করে বল জালে জড়ান জার্মেইন পেজ্জেয়া। তার গোলে ম্যাচে ২-০ গোলের লিড নেয় আর্জেন্টিনা।

এরপর আরও বেশ কিছু আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।