বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড ১ম ওয়ানডে সাময়িক বন্ধ

বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত ম্যাচ, বিশ্বকাপে সরাসরি দক্ষিণ আফ্রিকা
সংগৃহীত ছবি

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি বাংলাদেশ। যেখানে বাংলাদেশের দেওয়া ২৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়েছে আইরিশরা। ১৬.৩ ওভার পর বৃষ্টি হানা দেয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত খেলা বন্ধ রয়েছে। আইরিশরা ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৫ রান করেছে।

২৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ডে চতুর্থ ওভারে ওপেনার পল স্টার্লিংকে ব্যক্তিগত ১৫ রানে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচে ফেরান শরিফুল ইসলাম। পরের ওভারে অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবির্নিকে বোল্ড করেন হাসান মাহমুদ।

দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন স্টিফেন ডোহেনি ও হ্যারি টেক্টর। অবশেষে ডোহেনিকে নিজের ক্যাচে বিদায় করে জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। ১৬তম ওভারে এই ওপেনারকে ফেরান বাংলাদেশ স্পিনার।

আজ মঙ্গলবার নিরপেক্ষ ভেন্যু ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে খেলছে দুদল। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে খেলাটি মাঠে গড়ায়। যেখানে টস হেরে ব্যাটিং পেয়েছেন তামিম ইকবালরা। প্রথমে ব্যাট করতে নামা টাইগাররা ছোট মাঠে খেললেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান করেছে। আইসিসি বিশ্বকাপ সুপার লিগে এটি টাইগারদের শেষ সিরিজ।

প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ দুই ওপেনারকে দ্রুতই হারায়। প্রথম ওভারেই হতাশ হয় সফরকারীরা। জশ লিটলের চতুর্থ বলে এলবি হয়ে শূন্য রানে ফেরেন লিটন দাস। এরপর চতুর্থ ওভারে মার্ক অ্যাডায়ারের বলে উইকেটরক্ষক লোরকান টাকারকে ক্যাচ দেন ১৪ রান করা তামিম।

দলীয় ফিফটির পর তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১২তম ওভারে গ্রাহাম হিউমের প্রথম বলে বোল্ড হন সাকিব আল হাসান। ২১ বলে ৪টি চারে ২০ রান করেন সাকিব।

২১তম ওভারে দলীয় শতকের দেখা পায় টাইগাররা। এরপর নামজুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়ের জুটিতে ফিফটিও আসে। তবে কার্টিস ক্যাম্পারের বলে তুলে মারতে গিয়ে মার্ক অ্যাডায়ারকে ক্যাচ দেন নামজুল হোসেন শান্ত। ৬৬ বলে ৭টি চারে ৪৪ রান করেন তিনি।

বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে অউট হন তাওহীদ হৃদয়। দলীয় ১২২ রানে ব্যক্তি ২৭ রানে ফেরেন তিনি। ৩১ বলে ২টি চারে এই রান করে গ্রাহাম হিউমের শিকার হন। চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৬৬ বলে ৬৫ তুলে চাপ সামাল দেন মুশফিকুর রহিম। মিরাজ অবশেষে ৩৪ বলে ৪টি চারে ২৭ রান করে জর্জ ডকরেলের বলে আউট হন।

দলীয় ৪২তম ওভারে দ্বিশতক আসে বাংলাদেশের। এরপর হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মুশফিক। ওয়ানডেতে এটি তার ৪৪তম ফিফটি। তবে ৭০ বলে ৬টি চারে ব্যক্তিগত ৬১ রানে মাঠ ছাড়েন তিনি। জশ লিটলের বলে ডোহেনিকে ক্যাচ দেন মুশফিক। পরে তাইজুল ইসলাম ১৪ রানে লিটলের তৃতীয় শিকার হন। শেষ দিকে শরিফুল ইসলাম ১৫ বলে ১৬ করে অ্যাডায়ারের বলে মাঠ ছাড়েন।

আইরিশ বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পান জশি লিটল। এছাড়া অ্যাডায়ার ও হিউম ২টি করে উইকেট দখল করেন।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদি হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন।

আয়ারল্যান্ড একাদশ: পল স্টার্লিং, স্টিফেন ডোহেনি, অ্যান্ড্রু বালবির্নি (অধিনায়ক), হ্যারি টেক্টর, লোরকান টাকার (উইকেটরক্ষক), কার্টিস ক্যাম্পার, জর্জ ডকরেল, অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন, মার্ক অ্যাডায়ার, জশ লিটল, গ্রাহাম হিউম।