ইরানকে হারিয়ে নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে হারিয়ে নকআউট পর্বে যুক্তরাষ্ট্র
সার্জিনোডেস্টের অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ - সংগৃহীত ছবি

রাজনৈতিকভাবে বৈরি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কাতার বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগেই এ দু’দলের ম্যাচ ঘিরে টানটান উত্তেজনার আবহ বয়ে গিয়েছিল। মাঠেও সমানে সমানে লড়াই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পুলিসিচের গোলে জিতেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বের টিকিট পেয়েছে তারা। গ্রুপপর্বে যুক্তরাষ্ট্রের দুই গোলের দুটিতেই অবদান দলের সবচেয়ে বড় তারকা পুলিসিচের।

আল থুমামা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বাঁশি বাজার কিছুক্ষণ পরই ফ্রি কিক পায় ইরান। সেই ফ্রি কিকে বল ডি বক্সের ভেতর আসার আগেই যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের বিপদমুক্ত করে। এক মিনিটর পর ইরানের দিকে আক্রমণ শানায় যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচের সেই চেষ্টা প্রতিহত করে দেন ইরান ডিফেন্ডার হোসেন হোসেইনি।

পরের বিশ মিনিটে দু’দলই বেশ কয়েকবার গোলের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালায়। কিন্তু লক্ষ্যে শট নেয়ার আগেই প্রতিরোধ আসে প্রতিপক্ষ দলের কাছ থেকে। ২৮ মিনিটের সময় দারুণ সুযোগ আসে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে। এ সময় ইরানের ডি বক্সের ভেতর ফাঁকায় বল পেয়ে যান টিমোথি উইয়াহ। কিন্তু তার হেডে বল চলে যায় ইরান গোলরক্ষক বেইরানভান্দের হাতে।

বেশ কয়েকটি ব্যর্থ চেষ্টার পর অবশেষে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে গোল পায় যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় সার্জিনোডেস্টের অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা পুলিসিচ। এ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র অন্য যে গোলটি করেছে, সেটিতে অ্যাসিস্ট ছিল পুলিসিচের। বিরতির আগেও ইরানের জালে বল প্রবেশ করায় তারা। তবে রেফারি সেই গোল বাতিল করে দেন অফসাইডের কারণে।

বিরতি থেকে ফিরে সবচেয়ে ভালো আক্রমণ করে ইরান। কিন্তু সে যাত্রায়ও গোল পাওয়া হয়নি তাদের। যুক্তরাষ্ট্রকে এবারও বাঁচান গোলরক্ষক ম্যাট টার্নার। দ্বিতীয়ার্ধে দুদলই বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনে একাদশে। তবুও গোলের দেখা পায়নি কেউ। প্রথমার্ধের তুলনায় এ অর্ধে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণও হয়েছে কম।