মালয়েশিয়া পালিয়েছে মানবপাচার মামলার আসামী তরিকুল

সংগৃহীত ছবি

গত ২৩ মে তরিকুল ইসলাম ওরফে আল আমিন র‌্যাপিড আ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে গ্রেফতার হন। এরপর আদালতের নির্দেশে তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। তবে পরবর্তীতে জামিন পেয়ে তিনি আবারও মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। কিন্তু তিনি কিভাবে মালয়েশিয়া পালিয়ে গেছেন বা আবারও ভুয়া নাম পরিচয় ব্যবহার করে পাসপোর্ট করেছেন কি না, এ বিষয়ে জানে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্টরা।

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত মানবপাচার মামলার আসামি তরিকুল ইসলাম ওরফে আল আমিন (৩০) মালয়েশিয়ায় পালিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষদের মোটা অংকের আয়ের লোভ দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় পাচার করে আসছিলেন তিনি।

২০২২ সালে পাচারের শিকার এক ব্যক্তি বরিশালের গৌরনদী মডেল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় তরিকুল গ্রেফতার হন।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১০ সালে অবৈধ পাসপোর্ট নিয়ে মালয়েশিয়া গিয়ে তিনি এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। সেখানে পারমিটের কথা বলে শত শত বাংলাদেশি শ্রমিকের কাছ থেকে টাকা নিলেও কাউকে কোনো কাজ করে দেননি। এমনকি অনেককেই মালয়েশিয়া পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেন। একাধিক নারীকে যৌন নিপিড়নসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পরেও বিনা বাধায় আবারও দেশ ছাড়তে পারায় বিচার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টিতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এটি আদালতে বিচারাধীন। পাসপোর্ট কিংবা দেশ ত্যাগের বিষয়ে জানা নেই।